উচ্চতর আরবি ভাষা ও ইসলামি গবেষণাকেন্দ্র

উচ্চতর আরবি ভাষা ও ইসলামি গবেষণাকেন্দ্র

আমাদের সম্পর্কে জানুন
জ্ঞানের আলোয় আলোকিত প্রজন্ম

জ্ঞানের আলোয় আলোকিত প্রজন্ম

ভর্তি তথ্য
প্রকাশনা ও ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন

প্রকাশনা ও ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন

ম্যাগাজিন পড়ুন

জামিয়ার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. : সময়ের এক উজ্জ্বল বিদ্যাপীঠ

২০১৭ সালে ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ ওয়াশপুরে, উস্তায শফিকুল ইসলাম ইমদাদী হাফিযাহুল্লাহর হাতে একটি স্বপ্নের বীজ বপিত হয়। পরবর্তীতে আমরা দেখতে পাই, অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার লহর ডিঙিয়ে সেই বীজ থেকে বেরিয়ে আসে পুরো এক সুশোভিত কানন। যার নাম জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি.।

বিস্তারিত দেখুন
২০১৭
প্রতিষ্ঠাকাল
৬২০
শিক্ষার্থী
২৫
উস্তায
৪
বিভাগ

প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক

উস্তায শফিকুল ইসলাম এমদাদী রাহাত

ইসলামি জ্ঞানচর্চার দীর্ঘ ঐতিহ্যে আরবি ভাষার অবস্থান অনন্য। কুরআন ও হাদিসের ভাষা হিসেবে আরবির গভীরতা ও সৌন্দর্য অনুধাবন করা একজন আলেমের জ্ঞানচর্চাকে করে সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ়। আরবি সাহিত্যে পাণ্ডিত্য একজন আলেমের ভাষাজ্ঞানকে যেমন পরিশীলিত করে, তেমনই তার মাঝে গড়ে তোলে চিন্তা, প্রকাশ ও বিশ্লেষণের সক্ষমতা। এই উপলব্ধিকে সামনে রেখেই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় আমরা আরবি ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি সবসময় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছি। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবই নির্ভর জ্ঞান অর্জন না করে, আরবি ভাষায় পড়তে, বুঝতে, লিখতে ও মনের ভাব সাবলীলভাবে প্রকাশ করতে সক্ষম হয়ে উঠুক। যাতে করে তারা ইসলামী জ্ঞানের মূল উৎসসমূহ থেকে উপকৃত হওয়ার পাশাপাশি, স্বীয় অর্জিত জ্ঞানকে প্রজ্ঞা ও দক্ষতার সাথে পৌঁছে দিতে পারে গোটা বিশ্বে। আমাদের প্রত্যাশা, এই প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যাওয়া প্রতিটি শিক্ষার্থী হবে ইলমে সুদৃঢ়, আমলে সচেতন, আখলাকে সুন্দর এবং দায়িত্ব পালনে সুযোগ্য। সে যেন মসজিদ, মাদরাসা, শিক্ষা, দাওয়াহ, গবেষণা কিংবা সমাজের যে কোনো পরিসরে তার অর্জিত জ্ঞানকে কল্যাণের পথে কাজে লাগাতে পারে, এটাই আমাদের শিক্ষাদর্শের অন্যতম লক্ষ্য। ২০১৭ সনে মহান রবের অশেষ অনুগ্রহের উপর ভরসা করে, এক বৃহৎ স্বপ্ন ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ‘জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রহ. ঢাকা’ নামক এই ইলমি কাননের প্রথম বীজটি বপন করেছিলাম। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে অফুরন্ত শুকরিয়া—অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনি সারাদেশ জুড়ে এই প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন সুনাম ও সুখ্যাতির সম্মান। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ভাড়া ভবনেই, নানা টানাপোড়েনকে সম্বল করে আমাদের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। সামনে এই সীমিত পরিসরকে অতিক্রম করে একটি সমৃদ্ধ ও স্থায়ী শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়েই আমাদের পথচলা অব্যাহত রয়েছে। আল্লাহ তাআলা এই প্রচেষ্টাকে কবুল করুন, শিক্ষার্থীদের ইলমে নাফে’ দান করুন এবং তাদেরকে দ্বীন ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত ও যোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে কবুল করুন। আমীন।
বিস্তারিত
উস্তায শফিকুল ইসলাম এমদাদী রাহাত

জামিয়ার ডায়েরি

নোটিশ বোর্ড

বিভাগসমূহ

মাদানি নেসাব প্রথম বর্ষ

* আরবি প্রথম বর্ষে এক বছরেই ছাত্রদেরকে আরবি বলতে, পড়তে ও লিখতে সক্ষম করে গড়ে তোলা আমাদের প্রতিজ্ঞা বলা চলে। * এ প্রতিজ্ঞা পূরণের লক্ষ্যে “এসো আরবি শিখি” এর তিন খণ্ড এবং “আত-তামরিনুল কিতাবি” পুরোটা শেষ করার সাথে সাথে, “সিলসিলাতু ত্বারেক” সহ “ক্বাসাসুন নাবিয়্যীন” এর তৃতীয় খণ্ড পর্যন্ত নিয়মতান্ত্রিকভাবে দরসেই পড়িয়ে শেষ করা হয়। * এছাড়াও আরবিতে বাক্য গঠন ও আরবি মুকালামার জন্য থাকে বিশেষ দরস ও ধারাবাহিক অনুশীলন। * মিযান, মুনশাইব সম্পূর্ণ করার সাথে সাথে সকল সহিহ সীগাহ ধরতে, বলতে, বুঝতে ও অর্থ করতে পারদর্শী করে তোলা হয়। * পাশাপাশি দক্ষ জেনারেল শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক স্তরের বাংলা, গণিত ও ইংরেজি খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করানো হয়। * উস্তাযদের সার্বক্ষণিক নেগরানি ও সরাসরি তত্ত্বাবধান।

বিস্তারিত দেখুন

দরসে নিজামি বিভাগ

* প্রতি জামাতের মৌলিক কিতাবগুলোর উপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ। * মৌলিক ইস্তিদাদ গঠনের ক্ষেত্রে আপোষহীন অবস্থান। * দরসে নেজামির সকল স্তরে আরবি ভাষার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান। * দায়িত্বশীল ও বিশেষায়িত উস্তাযদের তত্ত্বাবধানে প্রতি জামাতে আরবি চর্চার জন্য আলাদা ও স্বতন্ত্র সিলেবাস। * নাহবেমীর থেকে মিশকাত পর্যন্ত জামাতগুলোতে বেফাকের সাথে সমন্বিত সিলেবাস। * নাহবেমীর, শরহে বেকায়া ও মিশকাত জামাতে বেফাক আয়োজিত কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ। * প্রতিটি মৌলিক কিতাবের সাথে কমপক্ষে একটি মানসম্মত আরবি শরাহ এর নিয়মতান্ত্রিক মুতালাআ নিশ্চিতকরণ। * নাহবেমীর জামাতের পর থেকে মৌলিক আরবি ভাষা ও নাহব-সরফে দুর্বলতা না থাকা। * উপরের স্তরের ফন্নি কিতাবগুলোর ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ উস্তায দ্বারা পাঠদান নিশ্চিত করা। * পরিকল্পিত ও যুগোপযোগী সিলেবাসের আলোকে পাঠদান। * আরবি ও বাংলা লেখালেখির ধারাবাহিক চর্চা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, নিয়মতান্ত্রিকভাবে উভয় ভাষায় ম্যাগাজিন প্রকাশ। * কাফিয়া ও শরহে জামি একসাথে। * আরবি শ্রবণ দক্ষতা ও মুকালামার বিশেষ অনুশীলন। * বাধ্যতামূলকভাবে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত নিশ্চিতকরণ। * আমল, আখলাক, উন্নত চিন্তা, ইসলামি শিষ্টাচার ও নৈতিকতার পাঠদান। * উস্তাযদের সার্বক্ষণিক নেগরানি ও সরাসরি তত্ত্বাবধান।

বিস্তারিত দেখুন

উচ্চতর আরবি বিভাগ

* এই বিভাগটি দুটি শাখায় বিভক্ত। যথা: আল-মুসতাওয়া আল-মুতাকাদ্দিম ও আল-মুসতাওয়া আল-মুতাওয়াসসিত। * নাহব ও সরফে দুর্বল কোনো ছাত্র এই বিভাগের জন্য উপযুক্ত নয়। * যারা বাস্তবিক অর্থেই আরবি ভাষা ও সাহিত্য চর্চা শিখতে চায়, তাদেরকে এই বিভাগে স্বাগতম। * আল-মুসতাওয়া আল-মুতাকাদ্দিমে শুধুমাত্র মুমতাজ পর্যায়ের ফারেগীনদের ভর্তি নেওয়া হয়। * আরবি ভাষা ও সাহিত্যকে যারা অনেক বেশি গভীর থেকে উপলব্ধি করতে চায়, তাদের জন্যই আল-মুসতাওয়া আল-মুতাকাদ্দিম। * আল-মুসতাওয়া আল-মুতাওয়াসসিতে মুমতাজ ও জায়্যিদ জিদ্দান পর্যায়ের ফারেগীনদের ভর্তি নেওয়া হয়। * সাবলীল আরবিতে নিজের মনের ভাব বলে ও লিখে প্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন, উচ্চতর আরবি বিভাগের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য। * আধুনিক আরবি চর্চা ও মিডিয়া আরবির সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলা, উচ্চতর আরবি বিভাগের অন্যতম অর্জন। * আরবি মুকালামা, শ্রবণ দক্ষতা ও লেখালেখি চর্চার পাশাপাশি, উচ্চ স্তরের ইলমি কিতাবসমূহ জড়তা বিহীন মুতালাআ করার যোগ্যতা তৈরি করা, উচ্চতর আরবি বিভাগের বিশেষ লক্ষ্য। * উস্তাযদের সার্বক্ষণিক নেগরানি ও সরাসরি তত্ত্বাবধান।

বিস্তারিত দেখুন

সাধারণ আরবি বিভাগ

* নাহব, সরফ ও আরবি ইবারত পাঠে দুর্বল ছাত্রদের জন্য এই বিভাগের আয়োজন। * দাওরা ফারেগীন মধ্যম পর্যায়ের ও গাইরে ফারেগীন ছাত্ররা এই বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। * প্রাথমিকভাবে দুটি শাখায় বিভক্ত হলেও, দুর্বলতার স্তর অনুযায়ী এ বিভাগের উভয় শাখায় গ্রুপভিত্তিক ফলপ্রসূ মেহনত করানো হয়। * এই বিভাগের মূল উদ্দেশ্য নাহব ও সফের দুর্বলতা দূর করে, আরবি ইবারত পাঠ ও কিতাবি যোগ্যতা গড়ে তোলা। * পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় মুকালামা ও প্রাথমিক স্তরের লেখালেখির দক্ষতা অর্জতি হয়। * যারা কিছুটা দুর্বল, কিন্তু বাস্তবিক অর্থেই কঠোর পরিশ্রম ও মেহনত করতে আগ্রহী, তাদেরকে এ বিভাগে স্বাগতম। * নিচের দিকে অবহেলার দরুন হতাশাগ্রস্ত ছাত্রদের জন্য, এই মেহনত হয়ে উঠতে তার সামনের জীবনের পথচলার পাথেয়। * উস্তাযদের সার্বক্ষণিক নেগরানি ও সরাসরি তত্ত্বাবধান।

বিস্তারিত দেখুন

প্রকাশনা

সাধারণ জিজ্ঞাসা

লোকেশন

দরসে নিজামী ভবন

ম্যাপ

আদব বিভাগের ভবন

ম্যাপ

যাতায়াত

দেশের যেকোন স্থান হতে ঢাকা— মোহাম্মদপুর / বেড়িবাঁধ মোড় থেকে সিএনজি / বাস যোগে ওয়াশপুর টাওয়ার নেমে, পশ্চিম দিকের রাস্তায় ওয়াশপুর গার্ডেন সিটি ৫ নং রোড এর শেষ মাথায় আদব বিভাগ এর ভবন এবং একই পথে লাবনী পয়েন্ট নেমে মদিনা মসজিদ এর পাশে দরসে নেজামি ভবন।

যোগাযোগ